Subscribe Us

 দ্বিতীয় মেয়াদে কেমন হবে ট্রাম্প-ইরান সম্পর্ক? 

ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি তার প্রশাসনে এফবিআই, স্বাস্থ্য বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য নতুন নিয়োগ দিচ্ছেন এবং সংস্থাগুলির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার আন্তর্জাতিক নীতি এবং প্রশাসনিক পরিকল্পনাও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তার নীতিগুলি অভ্যন্তরীণ এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।


আবারও সেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায়। দ্বিতীয় মেয়াদে তাহলে কেমন হতে যাচ্ছে ট্রাম্প-ইরান সম্পর্ক? আবারও কি নিষেধাজ্ঞার খেলায় মেতে উঠবেন ট্রাম্প? ইরানের সম্ভাব্য কৌশল কী হতে পারে?

 

ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত বনাম আগ্রাসী ইরান

 

আগের মেয়াদে কেমন ছিল ট্রাম্পের ইরান নীতি? তা বিশ্লেষণ করলেই ইরানের আগ্রাসী হওয়ার কারণ বেরিয়ে আসবে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ইরানের বৈদেশিক নীতি বিষয়ে ওবামা প্রশাসনের বহুপাক্ষিক কূটনীতি থেকে সরে আসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার চূড়ান্ত পরিণতি পাঁচ বিশ্বশক্তি ও জার্মানির সঙ্গে ইরানের পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনা।
 
২০১৮ সালের মে মাসে ‘জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন’ নামের সেই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন ট্রাম্প। মূলত ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করার বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি দেয়ার লক্ষ্যে ওই চুক্তি করা হয়। কিন্তু ট্রাম্প চুক্তিটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ চুক্তি আখ্যা দিয়ে দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক তৎপরতা বন্ধে পর্যাপ্ত চাপ দেয়া হয়নি।
 
এমন দোহাই দিয়েই চুক্তি থেকে সরে এসে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপের অংশ হিসেবে পুনরায় অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই কৌশলের লক্ষ্য ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেয়া, তেল রফতানি কমানো এবং কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা। মূলত এই নিষেধাজ্ঞা ইরানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করলেও আবারও পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করে ইরান। সেইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের ছায়াযোদ্ধাদের শক্তিশালী করার মধ্যদিয়ে প্রতিশোধমূলক উদ্যোগ নিতে শুরু করে তেহরান।


Post a Comment